রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল :-
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত এলপিজি গ্যাসের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন না করা এবং কোথাও কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস বিক্রয়ের অভিযোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে। যা ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ধারা ৩৮ মোতাবেক দৃশ্যমান স্থানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা দন্ডনীয় অপরাধ।
ভোক্তা সাধারণের স্বার্থ সংরক্ষণ, মূল্য বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল এলপিজি ফিলিং স্টেশন বা ডিলার পর্যায়ে বিক্রয় কেন্দ্রকে নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত হালনাগাদ এলপিজি মূল তালিকা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখসহ গ্রাহকদের সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে সুস্পষ্টভাবে টানিয়ে রাখতে হবে। মূল্য তালিকায় প্রতিটি সিলিন্ডারের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত আদায় করা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে।
ভোক্তাদের নিকট থেকে অভিযোগ প্রাপ্ত হলে বা বাজার তদারকিকালে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও প্রচলিত আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লিখিত নির্দেশনাবলী অবিলম্বে কার্যকরপূর্বক যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা থেকে স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।

