শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃশ্যামনগরে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে
চলমান গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচীর বরাদ্ধের
অর্ধেক টাকাই পিআইওর পকেটে বলে প্রকল্প চেয়ারম্যানদের আভিযোগ।
জানাযায়,শ্যামনগরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালযের আওতায় গ্রামীন
অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূিচর অধীনে ৫ কোটি টাকার ও বেশী বরাদ্দ
হয়েছে।যার অর্ধেকের বেশী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার পকেটে স্থান
পেয়েছে বলে অভিযোগ হয়েছ্ধেসঢ়;। বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে
রাস্তা সংস্কার,মাটির রাস্তা নির্মান,ইট সোলিং রাস্তা,খাল খনন ,মাঠ
ভরাট,মাদ্রাসা মসজিদের গেট নির্মানসহ বিভিন গ্রামীন
অবকাঠামো উন্নয়নে শ্যামনগরে ৫ কোটি টাকার ও বেশী বরাদ্দ
হয়েছে।কোন কোন প্রকল্পে অর্ধেক বা কোন প্রকল্পে সামান্য কাজ
হয়েছে ।্ধসঢ়;প্রকল্প চেয়ারম্যানরা বলছে ১লাখ টাকা বরাদ্দ হলে প্রকল্প
বাস্তবায়ন অফিসার অর্ধেক টাকাও না দিয়ে মাষ্টাররোলে স্বাক্ষর করিয়ে
নিয়েছেন।সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে রমজাননগর ৩নং ওয়ার্ড
ভৈরবনগর এলাকায় ঢালীবাড়ী থেকে সাত্তার আলীর বাড়ী পর্যন্ত মাটির
রাস্তা সংস্কারে বরাদ্ধ হয়েছে ৮মেঃটন চাল ।প্রকল্প চেয়ারম্যানের দায়িত্ব
পান মেম্বার রুহুল আমিন।প্রকল্প চেয়ারম্যান ভেকু দিয়ে নাম মাত্র মাটি
কেটে রাস্তায় দিয়ে সমুদয় টাকা আত্বস্বাত করেছেন বলে অভিযোগ
হয়েছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ ৮মেঃ টনের মধ্যে ২ মেঃটন চালের ও
কাজ হয়নি।একই ওয়ার্ডে তেজেনের বাড়ী থেকে মোক্তারের বাড়ী পর্যন্ত
৯শফুট রাস্তা নির্মানে ৩নং ইট ব্যবহার হয়েছে এছাড়া ইটের নিচে
মাত্র ২ইঞ্চি বালি দেওয়ায় ইটগুলো উঠে যাচ্ছে।শীলতলা খালের উপর ব্রীজ
নির্মানে বরাদ্দ ৩৩লাখ টাকা যা মিন্ন মানের ইট,বালু ও রড ,সিমেন্ট
ব্যবহার হয়েছে কয়েকমাস পড়ে থাকায় রডগুলো মরিচা ধরেছে মরিচা
পরিস্কার না করে ঢালাই দেওয়া হচ্ছে যে কারনে ব্রীজের স্থায়িত্ব নিয়ে
প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।ভেড়ার হাট থেকে নৈকাটি অভিমুখে রাস্তা ইট
সোলিং করনে ৩লাখ টাকা বরাদ্ধ হয়েছে যা অতি নিম্নমানের ইট দেওয়া
হয়েছে এবং সামান্য বালি দেওয়ায় ইটগুলো উঠে যাচ্ছে।ঈশ্বরীপুর
খাগড়া ঘাট প্রাইমারী স্কুল থেকে মাঝের পাড়া পর্যন্ত রাস্তা ইট
সোলিং করনে নিম্ন মানের ইট ব্যবহার হয়েছে এছাড়া ইটের নিচে
বালি না দিয়ে মাটি ও সামান্য বালি ব্যবহার হয়েছে।ঈশ্বরীপুর
খাগড়াঘাট আওসাফুর মাওলানার বাড়ীর নিকট থেকে যে ইট সোলিং
রাস্তা করা হয়েছে তাতে নিম্ন মানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে।সকল
প্রকল্প চেযারম্যানরা বলছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বরাদ্ধের তিন
ভাগের একভাগ টাকাও আমাদের না দিয়ে মাষ্টাররোলে স্বাক্ষর করিয়ে
নিচ্ছেন। শ্যামনগরে কযেকটি খাল পুৎন খনন হয়েছে তাতে নাম মাত্র
মাটি ছেটে খনন দেখিয়ে টাকা আত্বস্বাত হয়েছে।এসব অভিযোগ
তদন্ত করলে প্রমান পাওয়া যাবে বলে এলাকার সচেন মানুষের অভিমত।
এব্যাপারে প্রকল্পবাস্তবায়ন অফিসার মিরাজ হোসেনের সাথে কথা হলে
তিনি বলেন প্রকল্পের টাকা সঠিক ভাবে প্রকল্প চেয়ারম্যাদের দেওয়া
হয়েছে তারা কাজ না করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
